পশ্চিমবঙ্গের স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের জন্য শিক্ষা দপ্তরের তরফ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এল। বাড়লো মর্নিং স্কুলের সময়সীমা। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যে মর্নিং স্কুল চলবে। পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দপ্তরের ওয়েবসাইটে অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিষয়টি ঘোষণা করা হয়েছে। তীব্র গরমের জেরে নাজেহাল গোটা দক্ষিণবঙ্গ। এই চরম আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই ছাত্র-ছাত্রীদের সুরক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা দপ্তর।
৩১ মে পর্যন্ত গরমের ছুটি কাটিয়ে ১ জুন রাজ্যের স্কুলগুলোতে পুনরায় ক্লাস শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই দিনেই শিক্ষা দপ্তর নোটিশ জারি করে জানায় যে তীব্র গরমের জেরে ১৪ই জুন পর্যন্ত পড়ুয়াদের মর্নিং সেশনে ক্লাস করানো হবে। এদিকে এখন জুন মাসের মাঝামাঝি, কিন্তু গরম কমার কোন লক্ষণ নেই বললেই চলে। রাজ্যের আবহাওয়া দপ্তরের আপডেট অনুযায়ী, উষ্ণতার পারদ আরো চড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণে পূর্বে সিদ্ধান্তকে বদল করে আগামী ৩০ শে জুন পর্যন্ত মর্নিং স্কুল করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর। ১২ই জুন ২০২৬ তারিখে বিকাশ ভবন থেকে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের ডেপুটি সেক্রেটারি মারফত এই নিয়ে নতুন অফিসিয়াল নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যে মর্নিং স্কুল চলবে: অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞপ্তি নম্বর: 743(48)-SED- 15099/196/2026
সব জায়গায় মর্নিং স্কুল নয়: শিক্ষা দপ্তর
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যে সমস্ত জেলায় তীব্র গরমের পরিস্থিতি বজায় রয়েছে, সেখানকার স্কুল গুলোর ক্ষেত্রেই এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা দপ্তর। বিশেষত দক্ষিণবঙ্গের জেলা গুলিকে যেমন, কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বর্ধমান এবং উত্তরবঙ্গের সমতল এলাকার জেলাগুলিতে যেখানে গরমের দাপট বেশি, তাদের এর আওতায় ফেলা হয়েছে। সেই সঙ্গে এও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, যে পাহাড়ি এলাকার যেমন দার্জিলিং, কালিম্পং বা শিলিগুড়ি ইত্যাদি এলাকায় স্কুল গুলোর ক্ষেত্রে এই নিয়ম লাগু হবে না।
শিক্ষা দপ্তরের কড়া নির্দেশ স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে
বিকাশ ভবনের বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিটি স্কুলের কর্তৃপক্ষকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনোরকম বিশৃঙ্খলা এড়াতে আগেভাগেই শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, অভিভাবক এবং পড়ুয়াদের বিষয়টি জানিয়ে দিতে। এছাড়াও রাজ্যের প্রতিটি জেলার স্কুল পরিদর্শকদের উদ্দেশ্যে বিষয়টি খতিয়ে পর্যবেক্ষণ করার এবং নির্দিষ্ট সময়ে রিপোর্ট জমা করার নির্দেশ রয়েছে।